বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রির ঘরে, যা শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজধানী ঢাকাতেও শীতের দাপট স্পষ্ট। সকাল থেকে কুয়াশার চাদরে ঢাকা শহরে সূর্যের দেখা মেলেনি সকাল ১০টাতেও।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারিতে শীত আরও বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার থেকে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে। ১০ জানুয়ারির পর এই শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি পর্যায়ে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রার অবনতি হলে শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী এবং তীব্র হতে পারে।
রাজধানীতে বুধবার (১ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দিনও কুয়াশা এবং হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি ছিল প্রকট। বৃহস্পতিবার দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে রাজধানী পর্যন্ত বিস্তৃত ‘অ্যাডভেকশন ফগ’ বা পরিচালন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে।
আবহাওয়াবিদরা জানান, এই কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নমাত্রায় অনুভূত হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, এবং সিলেট বিভাগে ঘন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, যেখানে দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে তুলনামূলক কম কুয়াশা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ৮-৯ জানুয়ারির মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২-৩ দিন পর কুয়াশার পরিমাণ কমে আসতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পরিচালন কুয়াশা মূলত ভারতের দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার, এবং পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি উত্তরাঞ্চল দিয়ে ঢুকে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করছে।
শীতের এই আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
0 মন্তব্যসমূহ