দেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) তিনি অবসরের ঘোষণা দেন। এদিকে সাকিব আল হাসানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও হয়তো সমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে।
২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দিয়ে সাকিব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে রোববার (১২ জানুয়ারি) ঘোষিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ১৫ সদস্যের দলে তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
সাকিবের জাতীয় দলে থাকা সবসময়ই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একদিকে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কিত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সাকিবের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্দোলনকারীরা তার জাতীয় দলে থাকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিসিবিকে।
অন্যদিকে, তার বোলিং অ্যাকশনও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালে ইংল্যান্ডে কাউন্টি ম্যাচ খেলার সময় তার অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আম্পায়াররা। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) পরীক্ষা নেওয়ার পর তার বোলিং নিষিদ্ধ করা হয়। চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও তিনি উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হন।
আইসিসি স্কোয়াড ঘোষণার পর ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিবর্তনের সুযোগ দেবে। সাকিব যদি এই সময়ের মধ্যে বোলিং অ্যাকশন শোধরাতে পারেন, তাহলে তার অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটি অনেকটাই অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে না থাকলে সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।
0 মন্তব্যসমূহ