Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

“আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ছাত্রনেতাদের চাপ সৃষ্টি।”

 রাজনীতি এবং নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কিছুটা দ্বিধায় পড়েছে। জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতারা আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনের বাইরে রাখার বিষয়ে স্থির। অন্যদিকে, বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এই নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে।


বিএনপি এবং এর সমমনা দলগুলো দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার এবং নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন। তারা নির্বাচনের আগে জরুরি সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ফলে, অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে অগ্রাধিকার নির্ধারণের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, “এটা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।” তিনি আরো বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি এবং বিএনপি ইতিমধ্যে বলেছে যে সব রাজনৈতিক দল অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেবে। তাই আমরা দেশের প্রধান দলের মতামতকে উপেক্ষা করব না।

সর্বশেষ সোমবার এই সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি এটি একটি প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করা হচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যে অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং তারা প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রতিহত করার জন্য ‘দ্বিতীয় অভ্যুত্থানের’ হুমকি দিয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ