বাংলাদেশের বিনোদন জগতে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কের শীর্ষে উঠে এসেছে অভিনেত্রী জিনাত সানু স্বাগতার একটি বক্তব্য, যেখানে তিনি লিভ টুগেদারকে নরমালাইজ করার পক্ষে মত দেন। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আরিফুল খবির নামের এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন।
২৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ মেছবাহ উদ্দিন চৌধুরীর মাধ্যমে প্রেরিত নোটিশে দাবি করা হয় যে, স্বাগতার এই বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
নোটিশে বলা হয় স্বাগতা স্বীকার করেছেন যে তিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে হাসান আজাদ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে লিভ টুগেদার করছেন। তিনি শুধু নিজে এভাবে থাকেননি, বরং এ ধরনের সম্পর্ককে উৎসাহিত করেছেন, যা ইসলামী মূল্যবোধের বিরোধী। নোটিশে দাবি করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে ব্যভিচারের মাত্রা বৃদ্ধি করবে এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
নোটিশে বলা হয়েছে স্বাগতাকে সাত দিনের মধ্যে তার বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। মক্কেলকে এই বিষয়ে অবহিত করতে হবে।
যদি তিনি এটি করতে ব্যর্থ হন, তাহলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বিতর্ক শুরু হয় স্বাগতার একটি মন্তব্য থেকে, যেখানে তিনি তার দ্বিতীয় বিয়ে প্রসঙ্গে বলেন, "সমাজে লিভ টুগেদার নরমালাইজ হবে, ইনশাআল্লাহ।" এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং এর প্রতিক্রিয়া মিশ্র ছিল।
নোটিশ ও মন্তব্য নিয়ে স্বাগতার প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনা বাংলাদেশের সমাজে লিভ টুগেদার এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কীভাবে সমাধান হয়, তা সময়ই বলে দেবে।
0 মন্তব্যসমূহ