গত নভেম্বর মাসে কাঁচামাল আমদানি ৫২৭ কোটি ডলারে নেমে আসায় দেশে ব্যবসাবাণিজ্য স্থবিরতার মুখে পড়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৫৬০ কোটি ডলার। আমদানি কমার প্রভাবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ভোক্তাদের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে।
গত নভেম্বর মাসে কাঁচামাল আমদানি ৫২৭ কোটি ডলারে নেমে আসায় দেশে ব্যবসাবাণিজ্য স্থবিরতার মুখে পড়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৫৬০ কোটি ডলার। আমদানি কমার প্রভাবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ভোক্তাদের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে আমদানি খাতে ঋণপত্র খোলার পরিমাণ ১ শতাংশ কমে ২ হাজার ৭৯৭ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ সময় শিল্পের কাঁচামাল আমদানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৯৮০ কোটি ডলারে উন্নীত হলেও মূলধনি যন্ত্রপাতি এবং মধ্যবর্তী পণ্য আমদানিতে উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের ফলে ব্যবসায়ীরা তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনায় বিরতি দিয়েছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়া, নিত্যপণ্যে কর ছাড় এবং রমজানের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে আমদানির পরিমাণ আগামী মাসগুলোতে বাড়বে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে, নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি বাড়লে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে যাবে।
0 মন্তব্যসমূহ