জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমাগত অবনতি ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার এবং আদালত চত্বরে আইনজীবীর হত্যার ঘটনা উত্তেজনা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে, ত্রিপুরায় বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলার পর সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছেছে।
এখন, ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য তাদের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরিকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আগামী সপ্তাহে বিক্রম মিসরি বাংলাদেশ সফর করবেন, যা গত আগস্টে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সিনিয়র ভারতীয় কর্মকর্তাদের প্রথম সফর।
উভয় দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হবে,
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, যদিও এখনও সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবে বিক্রম মিসরি সম্ভবত ১০ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক আলোচনার জন্য বাংলাদেশে আসবেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের এই অবনতির পেছনে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কয়েকটি ভারতীয় রাজ্যে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বিক্রম মিসরির সফর উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আশা করা হচ্ছে, আলোচনা পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়ক হবে।

0 মন্তব্যসমূহ